স্কিন ক্লিয়ার ও পিম্পল ফ্রি থাকবে মাত্র ৪টি সহজ টিপসে!

স্কিন ক্লিয়ার ও পিম্পল ফ্রি থাকবে মাত্র ৪টি সহজ টিপসে!

পিম্পল, লাইফের মন খারাপ করা একটি টপিকের নাম। কতকিছু ট্রাই করা হয়, কিন্তু পিম্পল যেতেই চায় না! আর বিশেষ কোনো পার্টির আগে তো কথাই নেই, তখন যেন পিম্পল আরও বেড়ে যায়! এরকম সিচুয়েশন অনেকেই লাইফে ফেস করে। এই মন খারাপ করা টপিকটি তোমাদের লাইফ থেকে দূর করতেই আমার আজকের লিখাটি!      

 

শুরুতে জেনে নাও, “পিম্পল কেন হয়?”    

লাইফ থেকে পিম্পল দূর করতে হলে আগে এর কারণ জানতে হবে। স্কিনে অতিরিক্ত অয়েল প্রোডাকশন, হরমোনের ইমব্যালেন্স, স্ট্রেস, এছাড়া জেনেটিক কারণেও পিম্পল হলে পারে। এসবের বাইরে আরেকটি কারণ হলো, ফুড হ্যাবিট। অতিরিক্ত দুধ ও চিনি জাতীয় খাবার, অয়েলি ও ডিপ ফ্রাইড খাবারের কারণেও পিম্পল হয়। তাই পিম্পল কন্ট্রোল করতে তোমার ফুড হ্যাবিটও কন্ট্রোল করতে হবে! সেইসাথে এই সিম্পল টিপসগুলো  পিম্পল ফ্রি ও ক্লিয়ার স্কিন পেতে সাহায্য করবে।     

 

পিম্পল কমবে মধুর ম্যাজিকে 

শুরুতেই বলেছি, পিম্পলের একটি বড় কারণ হলো স্কিনে অতিরিক্ত অয়েল প্রোডাকশন। অতিরিক্ত অয়েল জমে থাকলে স্কিন পোরস বন্ধ হয়ে যায়। এবং অ্যাকনে, পিম্পল ও ব্ল্যাকহেডসের মতো সমস্যা শুরু হয়।  মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিসেপটিক উপাদান আছে। যা স্কিন পোরসে আটকে থাকা অয়েল ও ডার্ট ভেতর থেকে পরিষ্কার করে এবং বন্ধ পোরস ওপেন করতে সাহায্য করে। মধু দিয়ে সহজেই এই ফেস মাস্কটি বানিয়ে নাও, আর নিয়মিত ব্যবহার করে স্কিন রাখো অ্যাকনে ও পিম্পল ফ্রি!   

যা যা লাগবে   
-    ১.৫ টেবিল চামচ মধু 
-    ১.৫ টেবিল চামচ চিনি
-    ৩-৫ ফোঁটা লেবুর রস 

ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো একসাথে মিশিয়ে মাস্ক বানিয়ে নাও। এবার মাস্কটি ১০-১৫ মিনিট ফেস-এ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলো। 

 

সতর্ক থাকতে হবে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট সিলেকশনে 

স্কিনে অ্যাকনে, পিম্পল থাকলে যেকোনো একটা প্রোডাক্ট ইউজ করা যাবে না। এখন থেকে স্কিন কেয়ার ও মেকআপ প্রোডাক্ট সিলেক্ট করার আগে সতর্ক থাকো। এবং ভালোভাবে নিশ্চিত হয়ে নাও তা যেন অয়েল ফ্রি ও লাইট ওয়েট হয়। কারণ, এতে স্কিন পোরস বন্ধ হয়ে যাওয়ার চান্স কম থাকে। 

 

বারবার মুখ ধোয়া? একদমই না!  

স্কিনে পিম্পল/অ্যাকনে থাকলে তা তুলনামূলক বেশি সেনসিটিভ হয়। আর সেনসিটিভ স্কিন বারবার ধুলে ইরিটেশন হয়। এছাড়াও স্কিনের ন্যাচারাল অয়েল ধুয়ে যায় এবং স্কিন আরও বেশি অয়েলি হয়ে যায়। তাই বারবার মুখ ধোয়ার অভ্যাস থাকলে, তা আজ থেকেই বাদ দিতে হবে। স্কিন কেয়ার বিশেষজ্ঞরা সাধারণত  দিনে দুইবার মুখ ধোয়া সাজেস্ট করে, সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর আগে। এর বাইরে মুখ অতিরিক্ত ঘেমে গেলে ও ময়লা জমলে ধুতে পারো।   

 

ক্লিয়ার স্কিন পাও হলুদের ন্যাচারাল গুণে 

পিম্পল কন্ট্রোল করতে তো অনেক কিছুই ব্যবহার করেছো। এবার এই ন্যাচারাল ইনগ্রেডিয়েন্ট, হলুদ ট্রাই করতে পারো। এর অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান  পিম্পল ও দাগ আস্তে আস্তে কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে ১-২ দিন হলুদ দিয়ে বানানো এই ফেস মাস্কটি অ্যাপ্লাই করো। 

যা যা লাগবে  
-    হলুদ ১/৪ চা চামচ
-    মধু ১ চা চামচ 
-    দুধ ১ চা চামচ 

ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো একসাথে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নাও এবং সফট ব্রাশ দিয়ে ফেস-এ অ্যাপ্লাই করো। ১০ মিনিট পর ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলো। 

এছাড়াও প্রতিদিনের ক্লিনজিং-এ Lever Ayush Face wash Anti Pimple Turmeric ব্যবহার করতে পারো। এতে হলুদের ন্যাচারাল গুণাগুন আছে, এবং নিয়মিত ব্যবহারে এটি তোমাকে ক্লিন ও ক্লিয়ার স্কিন পেতে সাহায্য করবে।  

আর ময়েশ্চারাইজার হিসেবে Lever Ayush Face Cream Anti Marks Turmeric খুব ভালো সলিউশন হতে পারে। এতে হলুদের গুণাগুণ, কুমকুমাদি তেল ও ভেষজ উপাদানের মিশ্রণ আছে। যা স্কিনের দাগ দূর করতে  ভালো কাজ করে। 

সবশেষে, আরেকটি ইম্পর্ট্যান্ট টিপস। অনেকের বারবার হাত দিয়ে পিম্পল টাচ করা ও নখ দিয়ে খোঁচানোর অভ্যাস থাকে। এতে পিম্পল আরও বেড়ে যায় ও স্কিনে দাগ বসে যায়। তাই পিম্পল কন্ট্রোল করতে তোমার হাতও এখন থেকে কন্ট্রোল করতে হবে!  
 


রিলেটেড পোস্ট